বনগাঁ : গোবরডাঙা সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্রে আয়োজিত হয়ে গেলো গাঁড়াপোতা শপ্তক এর নাট্যোৎসব । ১৯৯৮ সালের তৎকালীন "কচি সংসদ" অর্থাৎ আজকের দিনের এই "গাঁড়াপোতা শপ্তক" এর প্রথম নাট্য উৎসব এর পথ চলা শুরু হয়েছিল নাট্যব্যক্তিত্ব আশিষ দাসের হাত ধরে । এদিন ২২ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হলো ।
যদিও দলের বয়স ২৬ বছর (২২শে মে ১৯৯৬) । বিগত দুই বছর কোভিড অতিমারির জন্য এক দিনের নাট্য উৎসব আয়োজিত হয়েছিল । এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় এই বছর এই নাট্যোৎসব তিন দিনের আয়োজন করা হয়েছে । নাট্য উৎসবের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় শ্রী অভিজিৎ চট্টোপাধ্যায় । বিশেষ অতিথি ছিলেন মাননীয় শংকর নন্দী, অভিনেত্রী দ্বীপান্বিতা বণিক দাস ও নাট্যব্যক্তিত্ব শ্রী আশিষ দাস ।
নাট্যমেলার প্রথম দিন অর্থাৎ ১৯ জুলাইয়ের প্রথম নাটক ভূমিসূতা দাস নির্দেশিত ও গোবরডাঙা নকসার প্রযোজনা "ইয়েস" মঞ্চস্থ হয়, যা নিজ গুনে সমৃদ্ধ এবং প্রশংসিত । দ্বিতীয় নাটক "ময়নামতি ইতিকথা" বসিরহাট কিংশুক প্রযোজনা ও নির্দেশনায় মুকুন্দ চক্রবর্তী । তৃতীয় অর্থাৎ শেষ নাটক গাঁড়াপোতা শপ্তক-এর 'নিরাশ্রয়', নির্দেশনায় প্রণয় বিশ্বাস ।
২০ জুলাই নাট্যমেলার দ্বিতীয় দিনের প্রথম নাটক থিয়েটার শাইন এর "পোস্টমাস্টার" । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে এক অন্য ভাবে তুলে ধরা হয়েছে দর্শকের সামনে । নির্দেশনায় শুভজিৎ বন্দোপাধ্যায় ।
দ্বিতীয় প্রযোজনা আয়োজক সংগঠনের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "সাধারণ মেয়ে", নির্দেশনায় রুমা চ্যাটার্জি ও প্রণয় বিশ্বাস । এ দিনের শেষ নাটক কালুপুর হিন্দোল প্ররযোজিত "ধানীমুণ্ডার বিরসাচরিত" ,
২১ জুলাই অর্থাৎ নাট্যোৎসবের শেষ দিনের প্রথম নাটক সবুজ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের মিরর । দ্বিতীয় নাটক ঠাকুরনগর অনুরঞ্জন এর "বিগ বাজার", নির্দেশনায় মিন্টু মজুমদার ।
আয়োজক সংগঠনের পক্ষ থেকে রুমা চ্যাটার্জী জানান, এমন একটি নাট্যোৎসব আয়োজন করতে পেরে আমরা আনন্দিত । এই নাট্যমেলা আয়োজনে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে সংস্কৃতি মন্ত্রক, ভারত সরকার । আমরা দিন গুনছি এখন... আমাদের ২৪ বর্ষ নাট্যমেলা আয়োজনের ।






0 Comments