করোনা ও লকডাউন পরিস্থিতিতে বিশেষ ভাবে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এইরকম স্ব-নিযুক্ত শ্রমিকদের 'প্রচেষ্টা' প্রকল্পে ১০০০ টাকা করে অনুদান দেওয়ার কথা আগেই ঘোষণা করেছিল রাজ্য সরকার । এবার তার অনলাইন আবেদন পত্র নেওয়া শুরু হচ্ছে ।
কারা অনলাইন আবেদন এর যোগ্য হবেন
১) যিনি পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা ।
২) যিনি পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ।
৩) পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কোন প্রকার পেনশন প্রকল্প যেমন- বার্ধক্যভাতা, বিধবাভাতা, অক্ষমতাভাতা ইত্যাদী এবং সামাজিক সুরক্ষা যোজনা ( SSY ) প্রকল্পের ভাতা পান না ।
৪) MGNREGA (১০০ দিনের কাজ) প্রকল্পের সুবিধা পান না শুধুমাত্র তেমন ব্যাক্তি ই এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
৫) পরিবারের মধ্যে শুধুমাত্র একজন ই দরখাস্ত করতে পারবেন । ( পরিবার= স্বামী, স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানগণ )।
৬) কৃষি কাজে নিযুক্ত কোনো শ্রমিক এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন না।
Prachesta Prakalpa Online Application কিভাবে করবেনঃ
১) আবেদনকারীকে শুধুমাত্র অনলাইনে প্রচেষ্টা (Prachesta Prakalpa app) অ্যাপ দ্বারা আবেদন করতে হবে। অফলাইনে কোনো আবেদন পত্র গৃহীত হবে না। এই প্রকল্পের ওয়েবসাইট হলো – https://prachestawb.in/
প্রচেষ্টা প্রকল্প অ্যাপসটি গুগুল প্লে-স্টোর থেকে সম্ভবত ৪ মে ২০২০ থেকেই ডাউনলোড করা যাবে ।
২) নাম, বাবার নাম, লিঙ্গ, জন্ম তারিখ, বয়স ঠিকভাবে পূরণ করতে হবে ।
৩) ভোটার কার্ডের নং, ডিজিটাল রেশন কার্ডের নং এবং আধার কার্ডের নং দিতে হবে ।
৪) ঠিকানা ঠিকভাবে পূরণ করতে হবে ।
৫) বৈধ মোবাইল নং দিতে হবে ।
৬) ব্যাঙ্কের নাম, ব্রাঞ্চের নাম, Account নং এবং IFSC কোড সতর্কতার সাথে সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে ।
৭) দরখাস্তের সাথে ভোটার কার্ড, ডিজিটাল রেশন কার্ড, আধার কার্ড এবং ব্যাঙ্কের ক্যান্সেল চেক বা ব্যাঙ্কের Account বই এর প্রথম পাতা যেখানে নাম, Account নং এবং IFSC কোড ইত্যাদি আছে- এই চারটি ডকুমেন্টের জেরক্স কপি দিতে হবে ।
একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট শুধু মাত্র একজন আবেদনকারীর জন্যই প্রযোজ্য।
একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট শুধু মাত্র একজন আবেদনকারীর জন্যই প্রযোজ্য।
আবেদন পত্র কিভাবে অনুমোদন দেওয়া হবে
১) জেলার ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শহরাঞ্চলে এস. ডি. ও এবং গ্রামাঞ্চলে বি. ডি. ও , কলকাতা কর্পোরেশনের ক্ষেত্রে কমিশনার যারা দরখাস্ত গ্রহণ করবেন ।
এবং উনারাই পরীক্ষা ও যাচাই করবেন – দরখাস্তকারী বা দরখাস্তকারিনী করোনা মহামারীজনিত কারণে লকডাউনের ফলে প্রকৃতপক্ষে কাজ হারিয়েছেন কিনা ।
এবং ওই শ্রমিকের অন্য কোন আয়ের উৎস যদি না থাকে এবং আর্থিকভাবে চূড়ান্তভাবে পীড়িত কিনা ইত্যাদি ।
২) উপরের সমস্ত বিষয়গুলি বিবেচনার পর তারা যদি মনে করেন – দরখাস্তকারী বা দরখাস্তকারিনী আর্থিকভাবে চূড়ান্তভাবে পীড়িত তাহলে, তার দরখাস্ত বিবেচিত হবে ।
৩) বিবেচিত দরখাস্তগুলি ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে পেমেন্ট করবার জন্য রাজ্য সরকারের “ প্রচেষ্টা “ প্রকল্পের লিঙ্কে আপলোড করা হবে ।



0 Comments