কোচবিহার 'সম্মীলিত নাট্যকর্মী মঞ্চ'
মানস নন্দন চক্রবর্তী
'বাপী টি স্টল', কোচবিহারের সংস্কৃতি কর্মীদের অাড্ডাস্থল ৷ বাপী যখন প্রথম দোকানটি চালু করে এম জে এন স্টেডিয়ামের বিপরীতে তখন শুধুমাত্র নাট্যকর্মীদেরই অাড্ডার জায়গা ছিল সেটি ৷ ধীরে ধীরে সংস্কৃতির অন্যান্য জগতের মানুষেরাও অাড্ডা ও বাপীর চায়ের টানে ভিড় জমাতে শুরু করে এখানে ৷ শুধুমাত্র রাসমেলার ১৫ - ২০ দিন বাদ দিয়ে সকাল থেকে রাত্রি খোলা বাপীর দোকান ৷ কারো সাথে যোগাযোগ হচ্ছে না তাকে 'নাট্যমেব'-র একটা সংখ্যা পৌঁছতে হবে কিংবা নাটকের টিকিট , মুশকিশঅাসান বাপী ৷ সাংস্কৃতিক কর্মীরা নিজেরাই তৈরী করে নিয়েছে কয়েকটি বেঞ্চ ৷ সকাল থেকে রাত অবধি চলে নানা বিষয়ে অাড্ডা, তর্ক, অালোচনা , সঙ্গে বাপীর চা ৷ এ হেন বাপীর দোকান দশ দিন থেকে বন্ধ ৷ স্ত্রী, সন্তান নিয়ে বাপী অথৈ সাগরে ৷ এই দুর্দিনে বাপীর দিকে সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দিল 'কোচবিহার নাট্যকর্মী সম্মীলিত মঞ্চ' ৷ তুলে দিল যৎসামান্য অর্থ , পরবর্তিতেও পাশে থাকার বার্তা দিয়ে ৷ এই নিয়ে ১২ জন নাট্যকর্মীর পাশে দাঁড়িয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে 'সম্মীলিত নাট্যকর্মী মঞ্চ' ৷ অারো অনেকের পাশেই এ ভাবে দাঁড়াতে বদ্ধপরিকর 'কোচবিহার সম্মীলিত নাট্যকর্মী মঞ্চ'৷ অাসুন সবাই মিলে পাশে দাঁড়াই এই মঞ্চের, সকলের অার্থিক সহায়তায় বেড়ে উঠুক এই অাপৎকালীন তহবিল ৷ এই দুঃসময়ে অারো বেশী সংখ্যক দুঃস্থ নাট্যকর্মী একটু হলেও ভরসা পাক, থিয়েটারের মানুষগুলো অন্ততঃ তাদের পাশে রয়েছে ৷

0 Comments